in

কানে শোঁ শোঁ শব্দ

অধ্যাপক ডা. মাহমুদুল হাসান

কানে শোঁ শোঁ শব্দ, পিরপির করা—এ ধরনের সমস্যার কথা অনেকে বলেন। যেকোনো বয়সেই এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। শব্দ হঠাৎ করে আসে, আবার অনেক সময় চলেও যায়। তবে পাকাপাকিভাবে থেকেও যায় অনেকের কানে। তার সঙ্গে কানে কম শোনা, মাথা ঘোরা, কান বন্ধ লাগা ইত্যাদিও দেখা দিতে পারে।

এসব সমস্যার জন্য কিছু রোগ দায়ী, আবার বয়স বৃদ্ধি বা বার্ধক্যজনিত কারণেও হতে পারে। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে এমন বিরক্তিকর সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

প্রথমে দেখা যাক কী কারণে এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।

* কানে খৈল জমা, বহিঃকর্ণে কোনো বস্তু আটকে যাওয়া

* মধ্যকর্ণে কফ জমা, কানের পর্দা ফেটে যাওয়া

* কানে প্রদাহ, মধ্যকর্ণের অস্থির সমস্যা

* অন্তকর্ণের চাপ বৃদ্ধি, শ্রবণসংক্রান্ত স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, কানের জন্য ক্ষতিকর ওষুধ দীর্ঘদিন খাওয়া

আবার সাধারণ কিছু শারীরিক সমস্যা, যেমন-বার্ধক্যজনিত কারণে (৬০ বছরের বেশি বয়স), রক্তশূন্যতা, দীর্ঘদিনের উচ্চরক্তচাপ, মানসিক অস্থিরতা, কিছু ভাইরাস সংক্রমণও কানের সমস্যার জন্য দায়ী হতে পারে।

প্রতিকার ও চিকিৎসা

* ময়লা কিছু দিয়ে কান পরিষ্কার করা যাবে না

* প্রদাহ ও পর্দা ফেটে গেলে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা করাতে হবে

* অনেক সময় শল্যচিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে

* স্নায়ু সমস্যায় শ্রবণযন্ত্র বা টিনিটাস মাসকার ব্যবহার করলে শোঁ শোঁ শব্দ ভালো হয়ে যায়

* কিছু কিছু ওষুধ প্রয়োগেও কানের শোঁ শোঁ শব্দ কমে যায়

* রিলাক্সজেশন থেরাপি বা ইয়োগা থেরাপির মাধ্যমেও শোঁ শোঁ শব্দ কমে

What do you think?

DEHO

Written by DEHO

রোগ প্রতিরোধ এবং প্রতিকারের জন্য ওষুধের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে প্রাকৃতিক প্রতিষেধকগুলো সম্পর্কে ধারণা এবং এদের ব্যবহার জানা জরুরী। সঠিক খাদ্য নির্বাচন এবং ব্যায়াম অসুখ বিসুখ থেকে দূরে থাকার মূলমন্ত্র। রোগের প্রতিকার নয়, প্রতিরোধ করা শিখতে হবে। এই সাইটটির উদ্দেশ্য বাংলাভাষায় স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা। তবে তা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প হিসাবে নয়। রোগ নির্ণয় এবং তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

কাছের মানুষটি সরে যাচ্ছে দূরে?

মুখের ক্যানসার প্রতিরোধ করতে করণীয় সম্পর্কে জানুন