in

নাকের হাড় যখন বাঁকা

অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান

আশি শতাংশ মানুষেরই নাকের হাড় একটুখানি বাঁকা। তবে এ রকম থাকলেই যে চিকিৎসা দরকার, তা নয়। এ থেকে সমস্যা হলেই কেবল চিকিৎসা প্রয়োজন। কী সমস্যা হতে পারে? নাকের হাড়টা যেদিকে বাঁকা, সেই পাশে শ্বাস নিতে একটু কষ্ট হয়। নাক বন্ধ মনে হতে পারে। বাঁকা অংশে বাতাস চলাচলের পথ সরু থাকে। মাথাব্যথা, হাঁচি, সর্দি, গলায় অস্বস্তি এমনকি কানেও সমস্যা হতে পারে।

নাকের হাড় কেন বাঁকা হয়? শিশুর বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে নাকের মধ্যখানের হাড় বা সেপটাম ও অন্যান্য হাড়ের বৃদ্ধির সামঞ্জস্য না থাকলেই এই সমস্যা দেখা দেয়। ১৮ থেকে ২০ বছর বয়স পর্যন্ত এই বৃদ্ধি চলে। ছোটবেলায় কোনোভাবে নাকে আঘাত পেলে ঝুঁকি বাড়ে। হামাগুড়ি দেওয়ার সময়ই সাধারণত শিশুরা নাকে আঘাত পায়। তখন না হলেও পরে সমস্যা দেখা দেয়।

নাকের হাড় বাঁকা হলেই শল্যচিকিৎসা অপরিহার্য নয়। হাড়টা কতখানি বাঁকা, তার ভিত্তিতে শল্যচিকিৎসার প্রয়োজন নির্ভর করে। যদি নাকের ছিদ্র প্রায় বন্ধ হওয়ার মতো অবস্থা হয়, নাক দিয়ে রক্তপাত হয় বা প্রচণ্ড মাথাব্যথা হয়—সে ক্ষেত্রে শল্যচিকিৎসা লাগতে পারে। যদি বাঁকা হাড়ের সঙ্গে অ্যালার্জির সমস্যা থাকে, শল্যচিকিৎসায় সাময়িক ফললাভ হয়। কিন্তু সাত-আট মাস পর আবার নাক বন্ধ হতে শুরু করে। তাই অনেক সময় অস্ত্রোপচারের পরিবর্তে অ্যালার্জি, সাইনাস ইত্যাদির চিকিৎসায়ও সুফল মিলতে পারে।

What do you think?

DEHO

Written by DEHO

রোগ প্রতিরোধ এবং প্রতিকারের জন্য ওষুধের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে প্রাকৃতিক প্রতিষেধকগুলো সম্পর্কে ধারণা এবং এদের ব্যবহার জানা জরুরী। সঠিক খাদ্য নির্বাচন এবং ব্যায়াম অসুখ বিসুখ থেকে দূরে থাকার মূলমন্ত্র। রোগের প্রতিকার নয়, প্রতিরোধ করা শিখতে হবে। এই সাইটটির উদ্দেশ্য বাংলাভাষায় স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা। তবে তা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প হিসাবে নয়। রোগ নির্ণয় এবং তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

যখন-তখন ব্যথানাশক নয়

মাঝবয়সের সংকট